আমি কি করে কোটিপতি হলাম?

Crorpati
Spread the love

আজকের বিশ্বে, অনেক ব্যক্তি তাদের টাকা পয়সা কোথায় রাখবেন তা বোঝার আগ্রহ বাড়ছে। কারণ এখনকার দিনে আপনার জীবনের ইনকাম শুধু মাত্র রাখলেই চলবে না । আপনাকে দেখতে হবে যে সেই টাকা যেন আপনার জন্যে কাজ করে এবং আপনার জন্যে আরো বেশি টাকা কামিয়ে দিতে পারে। মনে রাখবেন আপনি যদি নিজে সারাজীবন কাজ করে টাকা ইনকাম করে কোটিপতি হতে চান সেটা সম্ভব, কিন্তু তাতে আপনার সারাটা জীবন বেরিয়ে যাবে । সেই সুখ আপনি আর ভোগ করতে পারবেন না । তাই যদি আপনাকে খুব তাড়াতাড়ি কোটিপতি হাতে হয় তাহলে আপনাকে এরকম কিছু করতে হবে যাতে আপনার টাকা আপনার জন্যে কাজ করে আর আরও বেশি টাকা আপনাকে কামিয়ে দেয় । এই দুনিয়াতে যত মানুষে তাদের financial freedom অর্জন করেছে, তাদের সবার জন্যে তাদের জামান টাকা অথবা অন্য কেউ কাজ করেছে । আমরা আমাদের এই ওয়েবসাইট এ এইটাই বলবো যে এমপি কিকরে নিজের financial freedom অর্জন করতে পারবেন এবং কোটিপতি হতে পারবেন।

এবার যদি তুমি কোটিপতি হতে চাও তাহলে তোমাকে মূলত ৩ ধরনের কাজ করতে হবে ।

১) তোমাকে বেশি বেশি করে টাকা উপার্জন করার রাস্তা বের করতে হবে এবং বেশি করে টাকা উপার্জন করতে হবে। আজকাল অনলাইন টাকা ইনকাম করার উপায় অনেক ভালো হয়ে গেছে ।

২) তোমাকে তোমার দৈনন্দিন জীবনে যতটা খরচ করার দরকার সেটার থেকে বেশি খরচ করা চলবে না । (Reduce Extra Expenses ) আপনার Extra Expenses যতটা কম করা যাই তার দিকে নজর দিতে হবে ।

৩) যত বেশি পারো টাকা তোমাকে ইনভেস্ট করতে হবে । যত বেশি সময়ের জন্যে ইনভেস্ট করতে পারবে তত ভালো ।

আপনি কিভাবে বেশি করে টাকা ইনকাম করবেন সেই পথ আপনাকে নিজেকে খুঁজে বের করতে হবে । আমরা অবশ্যই তোমাদের আমাদের ব্লগ এর মাধ্যমে সাহায্য করবো । কিন্তু কি করে তুমি তোমার Extra Expenses কম করবে তার একটা খুব সহজ উপায় আছে ।যারা যারা তাদের সংসার Extra Expenses কম করেছে তারা সবাই তাদের দৈনন্দিন খরচের জন্য একটি বাজেট প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব স্বীকার করছে এবং তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করছে।

আপনি যদি অর্থ ব্যবস্থাপনার পথে যাত্রা করছেন, চিন্তা করবেন না, কারণ আমরা আপনার পাশেই আছি । সক্রিয়ভাবে ট্র্যাকিং এবং আপনার আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আপনাকে সহায়তা করার জন্য নীচে সাতটি টিপস রয়েছে:

আপনার গন্তব্যটি কল্পনা করুন / একটা গোল সেট করুন :

বন্ধুরা সব সময় মনে রাখবেন যে যখনই আপনি আপনার ফাইন্যান্সিয়াল ইন্ডিপেন্ডেন্সের দিকে এগোনোর চেষ্টা করছেন, তখন কিন্তু আপনাকে ফাইন্যান্সের দিকে একটু নজর দিতে হবে । এবং কোটিপতি হওয়ার সবথেকে ভালো এবং প্রথম রাস্তা হচ্ছে নিজের একটা গোল সেট করতে হবে। আপনার এখন যত বছর বয়স এবং আগামী কতদিন বা কত বছরের মধ্যে আপনি কোটিপতি হতে চাইছেন সেটা কিন্তু একটা গোল সেট করতে হবে । সেই গোল সেট করে আপনাকে কিন্তু সেই ভাবে নিজের যাবতীয় খরচাপাতি এবং সবকিছু কিন্তু মেন্টেন করে চলতে হবে এবং সেই হিসাবে ইনকামও বাড়াতে হবে । এবার যদি আপনি গোল সেট না করেন তাহলে কিন্তু আপনি যত টাকা ইনকাম করবেন সেটা কিন্তু আপনি আপনার শুধুমাত্র প্রত্যেকদিন কাটানোর জন্য, নিজের খুশি, নিজের ইচ্ছে পূরণ করার জন্য এবং আপনার দিনের পর দিনের ইএমআই এবং খরচা পূরণ করার জন্য কাজে লেগে যাবে। আপনি বুঝতেও পারবেন না যে আপনার জীবন কি করে কেটে গেল, আপনার সময় কি করে কেটে গেল, কিন্তু আপনি আপনার চূড়ান্ত ইচ্ছে, কোটিপতি হবার ইচ্ছে, সেখানে কিন্তু পৌঁছাতে পারবেন না । আপনার যে কোটিপতি হবার স্বপ্ন সেটা কিন্তু পূরণ হবে না । জীবনের ছোটখাটো যে ইচ্ছে সেগুলো পূরণ করতে করতে কিন্তু আপনার জীবন শেষ হয়ে যাবে । তো জীবনে কোন কিছু শুরু করার আগে আপনি একটা গোল সেট করে নিন এবং গোল সেট করে সেই গোলকে অর্জন করার জন্য আপনি অনবরত কাজ করে যান ।

আপনার ব্যয় নিরীক্ষণ করুন:

প্রতিদিন, সাপ্তাহিক এবং মাসিক ভিত্তিতে আপনার অর্থ কোথায় যায় তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি কঠিন আর্থিক পরিকল্পনার ভিত্তি হিসাবে কাজ করে। আপনি প্রাথমিকভাবে নগদ ব্যবহার করলে, আপনার খরচ সঠিকভাবে ট্র্যাক করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। যাইহোক, আপনি সবসময় আপনার দৈনন্দিন খরচ এবং মাসিক বিল, যেমন ভাড়া এবং ফোন বিল, এগুলোর কিন্তু একটা রেকর্ড করতে পারেন। এই অনুশীলন আপনাকে আপনার আর্থিক পরিকল্পনার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করতে সাহায্য করবে।

আপনার নেট আয় গণনা করুন:

অবসর গ্রহণের পর একটি আরামদায়ক জীবন নিশ্চিত করতে, অর্থ সঞ্চয় আপনাকে করতেই হবে। আপনি আপনার আর্থিক ট্র্যাক করার সাথে সাথে বিবেচনা করার প্রথম দিকটি হল আপনার নেট আয়। এই পরিসংখ্যানটি আপনার মোট আয়ের 15% কেটে নেওয়ার পরে আপনি যে পরিমাণ সঞ্চয় করেন তা প্রতিনিধিত্ব করে, যা বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্টে বরাদ্দ করা হয়।

🔥 Whatsapp Group👉 এখানে ক্লিক করুন
🔥 Telegram Group👉 এখানে ক্লিক করুন

একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়োগ করুন:

আপনি যদি একাধিক উদ্দেশ্যে একটি একক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার বাজেট কার্যকরভাবে পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। আপনার বাজেটকে পাঁচটিরও কম বিভাগে শ্রেণীবদ্ধ করে, প্রতিটি বিভাগের জন্য একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা শুরু করুন। এইভাবে, আপনি প্রতিবার ব্যাপক গণনার প্রয়োজন ছাড়াই সহজেই আপনার অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স ট্র্যাক করতে পারেন।

একটা উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি যেমন ধরে নিন আপনি প্রত্যেক মাসে এক লক্ষ টাকা ইনকাম করেন । সেই এক লক্ষ টাকা থেকে আপনি ভেবেছেন যে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আপনি ইনভেসমেন্ট এর জন্য সরিয়ে রাখবেন। তো আপনি প্রথমে মাইনা পাওয়ার পরেই ৩০ হাজার টাকা আপনার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে ইনভেস্ট করে দিন এবং সেই অ্যাকাউন্ট থেকে আস্তে আস্তে অটোমেটিক মিউচুয়াল ফান্ড যদি হয়ে থাকে তাহলে অটোমেটিক টাকা কেটে যাবে এবং ইনভেস্ট করতে চান সেখানে ইনভেস্ট করুন ।

আপনার ইনকাম এর ৩০ হাজার টাকা চলে যাওয়ার পর, আপনি ধরেছেন যে বাকি ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আপনার মাসিক খরচ হিসেবে আপনি বরাদ্দ করবেন এবং যখন যখন দরকার সেই ভাবে আপনি টাকা তুলবেন । সেটাও চাইলে আপনি আলাদা ব্যাঙ্ক একাউন্ট এ সারিয়া রাখতে পারেন ।

আর আজকের দিনে তো বলা যায় না যে মানুষের কখন কি হতে পারে তাই আপনার জীবনে একটা ইমারজেন্সি ফান্ড ও কিন্তু থাকা খুব দরকার । সেই ইমার্জেন্সি ফান্ডের জন্য কিন্তু আপনি আলাদা করে একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বানাতে পারেন এবং সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রত্যেক মাসে 5% থেকে 10% টাকা আপনি রাখতে পারেন আপনার ইমার্জেন্সি ফান্ড হিসেবে । যদি কোন সময় কোন রকম ভাবে আপনার জীবনে খুব তাড়াতাড়ি এক দু দিনের মধ্যে যদি একটা বড় অ্যামাউন্ট এর দরকার হয় তাহলে আপনি সেই একাউন্ট থেকে কিন্তু টাকা তুলে নিতে পারেন।

আমি পার্সোনালি তিনটে ব্যাংক একাউন্ট ইউজ করে থাকি এবং এই তিনটে ব্যাংক একাউন্ট ইউজ করার পরে আমার finance কে ট্র্যাক করা আমার কাছে কিন্তু খুবই সহজ হয়ে গেছে প্রথম ব্যাংক একাউন্ট ইউজ করি হচ্ছে ইনভেসমেন্ট এর জন্য, দ্বিতীয় ব্যাংক একাউন্ট ইউজ করি হচ্ছে আমার ইমারজেন্সি ফান্ডস এর জন্য আর তৃতীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইউজ করি হচ্ছে আমার দৈনন্দিন খরচা মেন্টেন করার জন্য।

আপনার নেটওয়ার্কের সুবিধা নিন:

উদ্যোক্তারা প্রায়ই সম্পর্ক তৈরি করে এবং তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সুবিধা লাভ করে। আপনার পরিচিতিদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আপনি অন্যান্য স্টার্টআপ ব্যবসার টেমপ্লেট এবং সরঞ্জামগুলি আবিষ্কার করতে পেরে আনন্দিতভাবে অবাক হতে পারেন যা আপনাকে আপনার আর্থিক পরিচালনায় সহায়তা করতে পারে। উপরন্তু, একজন ব্যবসায়িক প্রশিক্ষক নিয়োগের কথা বিবেচনা করুন যিনি আপনাকে আপনার নেটওয়ার্ক কার্যকরভাবে প্রসারিত করতে সাহায্য করতে পারেন।

আপনার বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন:

আপনার বিনিয়োগের লক্ষ্যগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কি অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, নাকি আপনি একটি স্টার্টআপ উদ্যোগের জন্য তহবিল সঞ্চয় করতে চান? আপনার বিনিয়োগের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা অপরিহার্য। বাজারে বিনিয়োগ করার সময়, ন্যূনতম দুই বছরের দিগন্ত বজায় রাখুন, কারণ “নিম্নে কিনুন, উচ্চ বিক্রি করুন” কৌশলটির জন্য বাজারের প্রবণতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

এই সাতটি পেশাদার টিপস অনুসরণ করে, আপনি কেবল অর্থ সাশ্রয়ের পথেই থাকবেন না, সম্পদ তৈরিতেও থাকবেন। আপনাদের জন্যে আরও কতগুলো এক্সট্রা টিপস দিলাম যাতে আপনাদের আরও সুবিধে হবে আপনার ফিনান্স কে ম্যানেজ করতে।

🔥 Whatsapp Group👉 এখানে ক্লিক করুন
🔥 Telegram Group👉 এখানে ক্লিক করুন

একটি ট্র্যাকিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত করুন:

আপনার ব্যয়গুলি কার্যকরভাবে নিরীক্ষণ করতে, আপনার পছন্দ এবং জীবনধারার সাথে মানানসই একটি ট্র্যাকিং সিস্টেম প্রয়োগ করার কথা বিবেচনা করুন। আপনি মোবাইল অ্যাপস, স্প্রেডশীট বা এমনকি কলম-এবং-কাগজ পদ্ধতির মতো বিভিন্ন বিকল্প থেকে বেছে নিতে পারেন। চাবিকাঠি হল এমন একটি সিস্টেম খুঁজে বের করা যা আপনার সাথে অনুরণিত হয় এবং আপনাকে সহজেই আপনার খরচ রেকর্ড করতে এবং শ্রেণীবদ্ধ করতে সক্ষম করে। নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করা এবং আপনার ব্যয়ের ধরণ বিশ্লেষণ করলে তা সমন্বয় করতে এবং আপনার বাজেট অপ্টিমাইজ করার জন্য মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে।

বাস্তবসম্মত আর্থিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন:

যদিও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি থাকা গুরুত্বপূর্ণ, বাস্তবসম্মত এবং অর্জনযোগ্য স্বল্পমেয়াদী আর্থিক লক্ষ্যগুলি প্রতিষ্ঠা করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সঞ্চয় করা, একটি নির্দিষ্ট ঋণ পরিশোধ করা বা জরুরি তহবিল তৈরি করা এবং সেখানে টাকা অন্তর্ভুক্ত করা, এই সব কিছুই কিন্তু আপনাকে করতে হবে নিজের ফিনান্সিয়াল ফ্রিডম কে অর্জন করার জন্যে । আপনার আর্থিক উদ্দেশ্যগুলিকে ছোট ছোট মাইলফলকগুলিতে বিভক্ত করুন, এবং আপনি সেই পথে এগোতে থাকুন এবং কিছু সময়ের পরেই আপনি কৃতিত্বের অনুভূতি অনুভব করবেন, যেটা আপনাকে ট্র্যাকে থাকতে অনুপ্রাণিত করবে।

ঋণ পরিশোধকে অগ্রাধিকার দিন:

আপনার যদি বকেয়া ঋণ থাকে, তাহলে সেগুলিকে পদ্ধতিগতভাবে পরিশোধ করতে অগ্রাধিকার দিন। উচ্চ-সুদের ঋণগুলি চিহ্নিত করে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলি দূর করার জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করে শুরু করুন। ঋণ স্নোবল পদ্ধতি (প্রথমে ক্ষুদ্রতম ঋণ পরিশোধ করা) বা ঋণ তুষারপাত পদ্ধতি (প্রথমে সর্বোচ্চ সুদের হারের সাথে ঋণ মোকাবেলা করা) এর মতো কৌশলগুলি ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করুন।

একটি জরুরী তহবিল তৈরি করুন:

জীবন অপ্রত্যাশিত ঘটনাতে পূর্ণ, এবং একটি জরুরী তহবিলের আকারে একটি আর্থিক নিরাপত্তা জাল থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পৃথক অ্যাকাউন্টে তিন থেকে ছয় মাসের জীবনযাত্রার খরচ আলাদা করার লক্ষ্য রাখুন। এই তহবিল চ্যালেঞ্জিং সময়ে যেমন চাকরি হারানো, চিকিৎসা জরুরী, বা অপ্রত্যাশিত মেরামতের সময় একটি কুশন প্রদান করবে। আপনার জরুরী তহবিলকে অগ্রাধিকার হিসাবে বিবেচনা করুন, যতক্ষণ না আপনি আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছান ততক্ষণ এটিতে ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখুন।

স্বয়ংক্রিয় সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ:

সঞ্চয় এবং বিনিয়োগকে আরও সহজ এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে অটোমেশনের সুবিধা নিন। আপনার প্রাথমিক অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ অ্যাকাউন্টে স্বয়ংক্রিয় স্থানান্তর সেট আপ করুন। এই লেনদেনগুলিকে স্বয়ংক্রিয় করার মাধ্যমে, আপনি আবেগপ্রবণভাবে অর্থ ব্যয় করার প্রলোভন দূর করতে পারবেন এবং নিশ্চিত করেন যে আপনার সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ লক্ষ্যগুলি ধারাবাহিকভাবে অর্থায়ন করা হয়েছে।

নিজেকে শিক্ষিত করুন:

কার্যকর অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য আর্থিক সাক্ষরতা একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। বাজেট, বিনিয়োগ, কর এবং অবসর পরিকল্পনার মতো ব্যক্তিগত আর্থিক বিষয়গুলিতে নিজেকে শিক্ষিত করার উদ্যোগ নিন। বই, অনলাইন কোর্স, পডকাস্ট এবং আর্থিক ব্লগের মতো সম্মানিত উত্সগুলি ব্যবহার করুন আপনার জ্ঞান প্রসারিত করতে এবং জ্ঞাত সিদ্ধান্ত নিতে। আপনি আপনার আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যত বেশি বুঝবেন, আর্থিক বিশ্বের জটিলতাগুলি নেভিগেট করার জন্য আপনি তত বেশি সজ্জিত হবেন।

প্রয়োজনে পেশাদার এর পরামর্শ নিন:

আপনি যদি আপনার আর্থিক যাত্রার কিছু দিক সম্পর্কে অভিভূত বা অনিশ্চিত বোধ করেন তবে পেশাদার নির্দেশিকা চাইতে দ্বিধা করবেন না। আর্থিক উপদেষ্টারা আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি এবং লক্ষ্যগুলির উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগত পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। তারা আপনাকে একটি বিস্তৃত আর্থিক পরিকল্পনা তৈরি করতে, আপনার বিনিয়োগ কৌশলগুলিকে অপ্টিমাইজ করতে এবং আপনার উদ্দেশ্যগুলি অর্জনের দিকে আপনি সঠিক পথে আছেন তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে। মনে রাখবেন একজন স্বনামধন্য এবং যোগ্য উপদেষ্টা বেছে নিন।

আপনার আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে এই অতিরিক্ত অন্তর্দৃষ্টিগুলি অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে, আপনি আপনার সম্পদ ট্র্যাক, সংরক্ষণ, বিনিয়োগ এবং বৃদ্ধি করার ক্ষমতা বাড়াবেন। মনে রাখবেন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা একটি অবিচ্ছিন্ন শেখার প্রক্রিয়া, এবং দৃঢ় সংকল্প এবং শৃঙ্খলার সাথে, আপনি একটি নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ আর্থিক ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *