৩০ টি ঘরে বসে অনলাইন এ টাকা কমানোর সহজ উপায়

earn mobile
Spread the love

বন্ধুরা, আজকে আমরা যেই আর্টিকেলটা লিখছি, সেই আর্টিকেলে আমরা বলব যে আপনারা ঘরে বসে সবথেকে সহজ উপায় অনলাইনে কি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন এবং অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়। বন্ধুরা আমরা এর সঙ্গে এটাও আপনাকে বলছি যে ইন্টারনেটের সবথেকে ভালো এবং সব থেকে সহজ টাকা ইনকাম করার যত উপায় আছে সেগুলো কিন্তু আমরা এই আর্টিকেলে বলেছি । আপনি এই আর্টিকেল টা পুরো পড়লে আপনি বুজতে পারবেন যে আপনারা কি করে ঘরে বসে কম্পিউটার এবং মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বন্ধুরা বর্তমান হচ্ছে ইন্টারনেটের যুগ। এই ইন্টারনেটের যুগে সবকিছুই কিন্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমেই হয়ে থাকে । সে কোন রকমের ফরম ফিলাপ করা থেকে শুরু করে টিকিট কাটা থেকে শুরু করে বা টাকা ইনকাম করা। আস্তে আস্তে মানুষ যেহেতু ইন্টারনেট এবং টেকনোলজিতে এত এগোচ্ছে যে আস্তে আস্তে কিন্তু এই দুনিয়াতে এরকম অনেক মানুষ, এরকম অনেক ছেলেমেয়ে আছে যারা নিজের ক্যারিয়ার কিন্তু অনলাইনে তৈরি করেছে এবং ঘরে বসে ভালো রকম টাকা ইনকাম করছে। তো আসুন দেখে নিই তোমরা ঘরে বসে কম্পিউটার এবং মোবাইলের মাধ্যমে কি করে টাকা ইনকাম করতে পারো এবং নিজের ক্যারিয়ার বানাতে পারো।

Table of Contents

ঘরে বসে অনলাইন এ কাজ করে ইনকাম করার নিশ্চিত উপায়

প্রথমে বলে রাখি বন্ধুরা যে অনলাইনে কিন্তু টাকা ইনকাম করার জন্য সবথেকে বেশি যেটা দরকার হবে সেটা হচ্ছে স্কিলস । আপনাকে কিন্তু নিজের স্কিলস এর উপরে কাজ করতে হবে এবং কোন একটা ইউনিক স্কিল কিন্তু আপনাকে শিখতে হবে। তার ওপরেই কিন্তু আপনি কাজ করতে পারবেন এবং সেই কাজ করে আপনি লক্ষ লক্ষ টাকা কিন্তু মাসে ইনকাম করতে পারবেন। ইন্টারনেটে টাকা ইনকাম করার কিন্তু কোন লিমিট নেই। আপনি যত টাকা চাই তত টাকা ইনকাম করতে পারেন । কিন্তু একটাই ব্যাপার – এখানেও কিন্তু আস্তে আস্তে কম্পিটিশন বাড়ছে এবং যত প্লাটফর্ম আছে সেখানেও কিন্তু আস্তে আস্তে মানুষেরা যোগ দিচ্ছে টাকা ইনকাম করার জন্য । এজন্য সেখানেও কিন্তু কম্পিটিশন বাড়ছে। তো আপনাদের যদি টাকা ইনকাম করতে হয় তাহলে কিন্তু আপনাকে খুব ভালো রকম ভাবে কাজ করতে হবে । কোনরকম ফাঁকি মারা যাবে না এবং কনসিসটেন্সির সাথে কাজ করতে হবে। তবে কিন্তু আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

Freelancing এর মাধ্যমে অনলাইন এ টাকা ইনকাম

বন্ধুরা কিছুক্ষণ আগেই আমরা স্কিলস এর ব্যাপারে কথা বলছিলাম এবং সবার প্রথমে অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে সবথেকে সহজ এবং সবথেকে পপুলার যেই কাজটি হচ্ছে সেটা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং । বন্ধুরা ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এরকম একটা কাজ, যেখানে আপনি অনলাইনে ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এরকম অনেক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে আপনি নিজেকে একজন ফ্রীলান্সার হিসেবে জয়েন করাতে পারেন এবং সেখানে আপনি পুরো পৃথিবীর লোকেদের সার্ভিস দিয়ে সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বন্ধুরা আমি তোমাদেরকে কতগুলো পপুলার ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মের কথা বলে দিচ্ছি যেমন https://www.fiverr.com/ , https://www.freelancer.com/ ইত্যাদি । বন্ধুরা এই এর আগেও আমি আপনাদের কে বলেছি যে বিনিয়োগ ছাড়াই বিশ্বস্ত কিছুক্ষণ কাজ করে অনলাইন টাকা উপার্জন করার ওয়েব সাইট সম্বন্ধে। বন্ধুরা তোমরা যদি আমাকে একটু বিশ্বাস করে থাকো তাহলে আমি তোমাদেরকে বলছি যে এরকম আমি অনেক লোককে জানি যারা বছরে কোটি টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে এই ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করে। কিন্তু এই ফ্রিল্যান্সিংয়ের যে কাজ শুরু হয় সেটা শুধুমাত্র শুরু হয় ৫ ডলার থেকে । তুমি যদি কোন ছোটখাট যদি কাউকে কিছু করে দাও তাহলে কিন্তু তুমি মিনিমাম ৫ ডলার তার থেকে চার্জ নিতে পারবে । এটা হচ্ছে ন্যূনতম চার্জ তুমি পাবে যে কোন একটা ছোট কাজ করার জন্য । বড় কাজ করার জন্য আপার লিমিট কিন্তু কিছু নেই । তুমি চাইলে ৫০০ ডলার, হাজার ডলার, দু হাজার ডলার, ৪০০০ ডলার, ৫০০০ ডলারও কিন্তু তুমি চার্জ করতে পারো যে কোন রকমের কাজ করার জন্য। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনাকে কিন্তু একটা স্কিলসের দরকার হবে। আপনি কি বিষয়ে আপনি লোকেদের কে সার্ভিস দেবেন সেটা যদি আপনাকে আইডিয়া নিতে হয় তাহলে আপনি ফাইবার ডট কমে গিয়ে দেখতে পারেন সেখানে কত রকমের লোকেরা কাজ করে টাকা ইনকাম করছে এবং সেরকম কোন একটা স্কিলস আপনি নিজের ভেতরে আনুন এবং আস্তে আস্তে consistency সাথে যদি আপনি কাজ করতে পারেন তাহলে কিন্তু সাফল্য আপনি অর্জন করবেন। তো ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা হচ্ছে সব থেকে পপুলার ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার সবথেকে সহজ পদ্ধতি।

বন্ধুরা আমি তোমাদের কে এই আর্টিকেল টা তে বলেছি যে আপনারা freelancing ছাড়াও কি করে ট্রানস্ক্রিবিং করে, ব্লোগ্গিং করে, affiliate marketing করে ঘরে বসে কিভাবে অনলাইন টাকা কমাতে পারো।

ইউটুব থেকে আয় করার উপায়

আজকের দিনে ঘরে বসে ভিডিও বানিয়ে সবথেকে ভালো উপায় টাকা রোজগার করার সেটা হচ্ছে ইউটিউব করা । বন্ধুরা তোমরা ভিডিও বানিয়ে, ইউটিউবে একটা নতুন চ্যানেল খুলে সেখানে ভিডিও আপলোড করে, তোমরা ভালো করে টাকা বানাতে পারো। আমাদের ভারতে এবং বাংলাদেশ এবং পুরো পৃথিবীতে অনেক জায়গায় এরকম অনেক বড় বড় ইউটিউবাররা আছে, যারা বছরের কোটি টাকার উপরে ইনকাম করে শুধুমাত্র ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে। কিন্তু হ্যাঁ এটাও সত্যি কথা যে বর্তমান দিনে ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে টাকা ইনকাম করার যে কম্পিটিশন সেটা কিন্তু অনেকটা বেড়ে গেছে । তুমি যদি চাও তুমি কিন্তু অত সহজে খুব তাড়াতাড়ি কিন্তু ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবে না । কারণ আগে মানে আজ থেকে পাঁচ সাত বছর আগে যখন ইউটুবে ভিডিও আপলোড দিয়ে ইনকাম করা চালু হয়েছিল তখন কিন্তু অনেক কম ইউটিউবার ছিল । তখন কিন্তু খুব সহজেই ভিডিও বানানো যেত এবং খুব সহজেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যেত এবং মনিটাইজেশন এর জন্য কিন্তু কোন রকমের নিয়ম ছিল না।

কিন্তু এখন অনেক বেশি রুলস এন্ড রেগুলেশন চলে এসছে ইউটিউবে । কারণ এখন অনেক বেশি ইউটিউবাররা আছে যারা প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড করছে । এজন্য এখন যদি তোমাকে ইউটিউবে একটা ভালো সাকসেসফুল কেরিয়ার বানাতে হয়, তাহলে তোমাকে খুঁজে বের করতে হবে যে তুমি কি ইউনিক করতে পারো তোমার ভিডিওতে যে লোকেরা তোমাকে পছন্দ করবে এবং তোমার ভিডিও দেখবে । সবথেকে ভালো উপায় হচ্ছে ইউটিউবে এখন ভিডিও বানানোর জন্য নিজের ভাষায় ভিডিও বানাও । তোমরা যদি বাঙালি হয়ে থাকো তোমরা বাংলায় ভিডিও বানাতে পারো। তোমরা যদি টেকনোলজি নিয়ে বা কোন রকম পড়াশুনা অথবা অন্য কোনো কিছু বা তোমার যদি কোন রকম কিছু শেখাতে পারো তাহলে বেশি ভালো হবে ।

আমি যেমন এর আগের প্যারাগ্রাফ এ তোমাদের কে বলেছি যদি কোন রকমের ভালো স্কিলস থাকে সেই স্কিলস দিয়ে কিন্তু তোমরা ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে গিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবে এবং সেই ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে যে স্কিলটা নিয়ে টাকা ইনকাম করছ, সেই স্কিলসটা কিন্তু তুমি তোমার ইউটিউব চ্যানেলের লোককে শেখাতে পারো । ডিটেলসে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখাতে পারো নিজের ভাষায় শেখাতে পারো। যেহেতু তোমার ওই স্কিলস এর ব্যাপারে অনেক বেশি অভিজ্ঞতা আছে, তো সেই ব্যাপারে তোমার চ্যানেল আস্তে আস্তে এগোতে শুরু করবে । কিন্তু এটাও তোমাকে মনে রাখতে হবে যে তোমাকে হার মানলে চলবে না । তোমাকে কিন্তু consistency সাথে ধৈর্য ধরে ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে । তবেই কিন্তু তুমি ইউটিউবে সাকসেসফুল হতে পারবে। আপনি যদি জিগেস করেন ইউটিউব থেকে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায় তাহলে আমি বলবো যে এইসব জায়গায় যদি একবার তুমি নিজের ক্যারিয়ার দাঁড় করিয়ে দিতে পারো তাহলে টাকা ইনকাম করার কোন লিমিট নেই।

বন্ধুরা এখানে আমরা কোটিপতি হওয়ার জন্য সেরা টাকা রোজগারের সহজ উপায় সম্বন্ধে একটা আর্টিকেল লিখেছি।তোমরা চাইলে দেখতে পারো । এছাড়াও যদি আপনি ছোট খাটো কোনো বিজনেস করতে চান তাহলে আপনি নিত্য নতুন বিজনেস আইডিয়া কম টাকা ইনভেস্ট করে এই আর্টিকেল টাও দেখতে পারেন।

অডিও স্টোরি চ্যানেল বানিয়ে অনলাইন ইনকাম করার উপায়

বন্ধুরা অডিও স্টোরি চ্যানেল বানিয়েও কিন্তু তোমরা ইনকাম করতে পারো । এটা তুমি ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্টিটিউট হিসেবে বলতে পারো । কারন কি ইন্ডিয়াতে যে Google PODCAST আছে সেটা কিন্তু monetize করা যাই না। কিন্তু আমেরিকাতে মনিটাইজ করা যায়। তাহলে বুঝতেই পারছ monetize যদি না করতে পারো তাহলে তুমি সেটা থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবে না । আর আমরা এখানে কথা বলছি যে তোমরা অনলাইনে কি করে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারো। তো এরকম যদি কোন অনলাইন এ কাজ তুমি যদি কারো যেটা থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবে না, সেটা কিন্তু আমাদের কারোর পক্ষে কোনরকম লাভ দায়ক হবেনা ।

সেজন্য তোমরা কি করতে পারো তোমরা ইউটিউবে কিন্তু একটা ভয়েস স্টোরি চ্যানেল বানাতে পারো এবং সেখানে তুমি তোমার গলার আওয়াজ দিয়ে একটা ভয়েস স্টোরি চ্যানেল বানিয়ে দেখানো সুন্দর সুন্দর গল্প আপলোড করতে পারো । তোমাদেরকে একটা উদাহরণ হিসেবে আমি একটা ইউটিউব চ্যানেলের লিংক দিয়েছি ।

image

গৌরব তপাদার এর প্রেতকথা চ্যানেল শুধু গল্প বলা হয়। আর দেখুন বর্তমানে ৬ লক্ষ এর বেশি সাবস্ক্রাইবার আছে চ্যানেল তা তে । এরকম চ্যানেল বানানোর জন্যে আপনাকে শুধুমাত্র মাইকের দরকার হবে আর সুন্দর করে গল্প বলার স্কিলস এর দরকার হয়। সেখানে কিন্তু ভিডিও বানানোর জন্য কোন রকমের দামি ক্যামেরা দরকার হয় না ।

মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে অনলাইন ইনকাম করার উপায়

বন্ধুরা মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে তোমরা কি করে টাকা ইনকাম করতে পারো তার ওপরে আমি একটা ডিটেলস আর্টিকেল আগেই লিখে রেখেছি। আমি এই আর্টিকেলের লিংক তোমাদের এখানে দিয়ে দিলাম সেই আর্টিকেল লিঙ্কে তোমরা ক্লিক করে মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে ঘরে বসে কি করে তোমরা ইনকাম করতে পারো সেটার সমন্ধে তুমি জেনে নিও । এইটুকু মনে রেখো যে মোবাইল অ্যাপ বানিয়েও কিন্তু তোমরা প্রত্যেক মাসে ভালো রকম টাকা ইনকাম করতে পারবে । কিন্তু সেটার জন্য তোমাকে দুটো স্কিলস এর দরকার হবে । এক হচ্ছে মোবাইল অ্যাপ বানানোর স্কিল আর দ্বিতীয় হচ্ছে আপনার মোবাইল অ্যাপ কে মার্কেটিং করার স্কিল। আপনি যদি আপনার মোবাইল অ্যাপ কে খুব ভালো করে বানাতে পারেন এবং মোবাইল অ্যাপের মধ্যে যদি ট্রাফিক আনতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনিও খুব ভালো রকম টাকা অর্জন করতে পারবেন।

ফটো এডিটিং করে অনলাইন ইনকাম করার উপায়

বন্ধুরা ফটো এডিটিং এবং সঙ্গে ভিডিও এডিটিং কিন্তু আজকের দিনে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে । আজকাল মানুষেরা ফটো এবং ভিডিওগ্রাফি নিয়ে কিন্তু অনেক বেশি সচেতন । আগেকার দিনে শুধুমাত্র যদি বাড়িতে কোন রকমের অনুষ্ঠান হতো যেমন বিয়ে বাড়ি, জন্মদিন বা মুখে ভাত বা অন্য কোন অনুষ্ঠান হলে তবে কিন্তু ক্যামেরাম্যানকে ডেকে ফটো এবং ভিডিও তোলা হতো । কিন্তু আজকের দিনে সেটা তো চলছে আর এখনকার দিনে যে কোন অনুষ্ঠান বাড়ি যেমন ধরে নাও বিয়ে বাড়িতে বিয়ের আগে দুটো Pre wedding বিয়ের পরে দুটো Post Wedding ভিডিওগ্রাফি এবং ফটোগ্রাফি করা হয়ে থাকে ।

সঙ্গে এত ইউটিউবার যখন বাড়ছে, তখন তারাও কিন্তু ভিডিও এডিট করার জন্য এবং থাম্নেল বানানোর জন্য ফটো এডিটর এবং ভিডিও এডিটর খোঁজে এবং তুমি যদি খুব ভালো করে ভিডিও এবং ফটো এডিট করতে পারো, তাহলে কিন্তু তুমি ফাইবারের মতো ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে কাজ করে খুব ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবে। নিজেকে যদি নিজে একটা ব্র্যান্ড বানাতে পারো, ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অথবা ফটো এডিটর ও ভিডিও এডিটর হিসেবে, তাহলে কিন্তু তোমার কাছে কাজের কমি হবে না । তুমি শুধুমাত্র ঘরে ইন্টারনেট কানেকশন এবং ল্যাপটপ আর একটা ভালো সফটওয়্যার দিয়ে কিন্তু তুমি ফটো এবং ভিডিও এডিট করে মাসে অনেক হাজার হাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা কিন্তু ইনকাম করতে পারবে । ফটো এডিটিং করে তোমরা কি করে টাকা ইনকাম করতে পারবে তার উপরে আমি একটা আগে আর্টিকেল লিখে রেখেছি এই আর্টিকেলের লিংক দিয়ে দিলাম তোমরা সেখান থেকে ভালো করে দেখে নিও। উধাহরণ সরূপ Adobe কোম্পানি যে ফটো এবং ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার আছে সেই সফটওয়্যার দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়। তো এই সব পধ্যাতি তে তুমি দুনিয়ার যে কোনো জায়গায় থেকে অথবা বাংলাদেশে থেকে অনলাইনে সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবে ।

অনলাইন ইনভেস্টমেন্ট করে মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা ইনকাম

বন্ধুরা এটা একটা খুব ইন্টারেস্টিং টপিক যে তোমরা কি করে অনলাইনে ইনভেস্টমেন্ট এর মাধ্যমে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারো । এটা কিন্তু তোমাদের সবাইকে মাথায় রাখতে হবে তোমরা যদি কোটিপতি হতে চাও এবং নিজের ফিনান্সিয়াল ফ্রিডম অ্যাচিভ করতে চাও, তাহলে কিন্তু ইনভেসমেন্ট ছাড়া কিন্তু তুমি কোন রকম ভাবে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন কিন্তু পূরণ করতে পারবে না। আমি তোমাদেরকে আগেও বলেছি যে তোমাকে দেখতে হবে যে তোমার জমানো টাকা কি করে তোমার জন্য কাজ করবে এবং তোমার জমানো টাকা কি করে তোমার জন্য আরও অনেক বেশি টাকা ইনকাম করে দেবে। সেটা কিন্তু একমাত্র পসিবল হবে ইনভেস্টমেন্ট এর মাধ্যমে। তো বন্ধুরা আগেকার দিনে কিন্তু যখন টেকনোলজি ততটা উন্নত ছিল না, তখন ইনভেসমেন্ট করা কিন্তু অনেকটা কঠিন ব্যাপার ছিল। অনেক রকমের ডকুমেন্ট লাগতো। অনেক রকমের অফলাইনে কাজকর্ম করতে হতো। লোকেদের লাইন দিয়ে ইনভেস্টমেন্টের জন্য অ্যাকাউন্ট খুলতে হতো। সেটা করতে প্রায় এক দেড় মাস সময় লেগে যেত।

কিন্তু আজকে টেকনোলজি গ্রো হওয়াতে ইনভেস্টমেন্ট এত সহজ হয়ে গেছে, যে তুমি চাইলে অনলাইনে স্টক মার্কেটে এবং মিউচুয়াল ফান্ডে নিজের মোবাইলের মাধ্যমে কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট করতে পারো। আমি আজ ছয় বছর হয়ে গেল, আমি নিজের মোবাইলের মাধ্যমে স্টক মার্কেটে এবং মিউচুয়াল ফান্ডে ইনভেসমেন্ট করছি এবং এই ইনভেস্টমেন্ট করে কিন্তু আমার খুব ভালো রকম রিটার্নস পাচ্ছি এবং খুব ভালো রকম কিন্তু আমার সম্পদ তৈরি হচ্ছে। তো তোমরাও কিন্তু এটা মনে রেখো যে অনলাইনে ইনভেসমেন্ট করে মোবাইল দিয়ে কিন্তু তোমরা খুব ভালো লাগে ইনকাম করতে পারবে এবং ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রিডম অর্জন করার জন্য সেটা কিন্তু খুবই দরকার।

অনলাইন জব মোবাইল এর মাধ্যমে ইনকাম করার উপায়

বন্ধুরা তোমাদের কাছে যদি আজকের দিনে একটা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল থাকে এবং যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তাহলে কিন্তু তোমার কাছে কোন কিছু অসম্ভব হওয়া উচিত না। কারণ আজকাল মোবাইল এতটা এডভান্স হয়ে গেছে যে তুমি মোবাইল দিয়ে কিন্তু অনেক ভালো ভালো রকমের কাজ করতে পারবে এবং মোবাইল দিয়ে কিন্তু অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবে । আমি রিসেন্টলি একটা ইউটুবে ভিডিও দেখছিলাম, যেখানে একটা ছেলে মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকা ইনকাম করছে ব্লগ লিখে এবং সে ব্লগ তৈরি থেকে শুরু করে পুরো ব্লগ লেখা এবং আর্টিকেল পাবলিশ করা পর্যন্ত সবকিছু কিন্তু শুধু মাত্র মোবাইল থেকেই করে থাকে। তার এখনো পর্যন্ত কোনো ল্যাপটপ নেই। সে মোবাইল থেকে সবকিছু করে কারণ তার বাড়ি এতটাই গ্রামের দিগে, যে তার বাড়িতে কিন্তু নেটওয়ার্ক থাকে না এবং তাকে যখন আর্টিকেল পাবলিশ করতে হয়, তাকে বাড়ি থেকে কিছুটা দূর গিয়ে নেটওয়ার্ক মোবাইলে আসলে তারপর আর্টিকেল পাবলিশ করে। তো তোমরা বুঝতে পারছ যে, এই মানুষটার ঘরে মোবাইলের নেটওয়ার্ক পর্যন্ত আসে না। সে যদি মোবাইলের মাধ্যমে ব্লোগ্গিং করে মাসে যদি এক থেকে দেড় লাখ টাকা ইনকাম করতে পারে, তাহলে তুমি কেন পারবে না? তো আমি তোমাদেরকে আরো অনেক রকম পধ্যাতি বলে দেব যার মাধ্যমে তোমরা মোবাইলে কাজ করে টাকা রোজগার করতে পারবে। ততক্ষন পর্যন্ত তুমি খালি এটা নিজের মাইন্ডসেট বানিয়ে নাও যে, তোমার কাছে যদি একটা মোবাইল থাকে এবং মোবাইল এ যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে, তাহলে তুমি পৃথিবীর যেকোনো কিছু কিন্তু অর্জন করতে পারবে। তোমার কাছে কিন্তু কোন কিছু অসম্ভব বলে মনে হবে না।

LinkedIn এ কাজ করে কি ভাবে টাকা ইনকাম করব

বন্ধুরা আজকের দিনে LinkedIN কিন্তু একটা খুব ভালো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক হয়ে উঠেছে। তোমরা বলতে পারো প্রফেশনালদের জন্য বেস্ট সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক। এখানে কিন্তু যত রকমের সিরিয়াস কমিউনিকেশন করা হয়ে থাকে। তুমি যদি নিজেকে বিশেষজ্ঞ ব্র্যান্ড হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াতে বানাতে চাও এবং নিজের স্কিলস যদি প্রমোট করতে চাও, সিরিয়াস লোকেদের মাঝে, তাহলে কিন্তু LinkedIN একটা খুব ভালো রাস্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্ধুরা আমি কিছুদিন ধরে LinkedIN একটিভ আছি এবং আমি দেখছি যে অনেক ফ্রিল্যান্সাররা এবং যারা নিজেদের স্কিলস এর উপরে কাজ করে টাকা ইনকাম করে, তারা কিন্তু LinkedIN এ ভীষণ রকম ভাবে সক্রিয় এবং LinkedIN এ নিজের প্রোফাইল বানিয়ে তাতে কিন্তু একটা ভালো রকম ফলোয়ার বসে বানিয়ে নিয়েছে । তুমি কিন্তু চাইলে LinkedIN থেকে direct orders নিতে পারো ক্লায়েন্টদের থেকে ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করার জন্য এবং এটার জন্য তোমাকে কিন্তু কোন রকম ভাবে ফ্রিল্যান্সিং নেটওয়ার্ক অথবা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটের উপরে ভরসা করতে হবে না। উধাহরণ স্বরূপ নিচে একজন সাকসেসফুল ফ্রীলান্সার এর প্রোফাইল দিলাম ।

Saheli Freelancer

কোর্স বানিয়ে অনলাইন এ সেল করে ইনকাম করার উপায়

বন্ধুরা তোমার যদি একটা ভালো রকম ফলোয়ার বেস থাকে যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এ । তোমরা যদি একটা ভালো রকম ইউটিউব চ্যানেল থাকে যেখানে তোমার ভালো পরিমাণ সাবস্ক্রাইবার আছে বা অন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে যেমন টুইটার হোক বা LinkedIN হোক বা ফেসবুক হোক, সেখানে তোমার যদি trustworthy follower base থাকে, তাহলে কিন্তু তুমি কোর্স বানিয়ে কিন্তু খুব ভালো রকম টাকা ইনকাম করতে পারো। বা তোমার যদি সোশ্যাল মিডিয়াতে অত ভালো প্রেসেন্স নাও থাকে, তোমার যদি একটা ভালো ব্লগ থাকে এবং তোমার ব্লগ প্রফেশনালস না ফলো করে সেখানে কিন্তু তুমি চাইলে নিজের কোর্স বানিয়ে একটা ভালো রকম টাকা ইনকাম করতে পারো । আমি তোমাদেরকে উদাহরণস্বরূপ একজন প্রফেশনাল ব্লগার আছে যিনি আজ প্রায় দশ বছরের উপরে ব্লগ লিখছেন এবং তার একটা খুব জনপ্রিয় সাকসেসফুল ব্লগ আছে। প্রত্যেক মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা তার ব্লগ থেকে ইনকাম করেন এবং সঙ্গে তার যে জতগুলো ইনকাম সোর্স আছে তার মধ্যে একটা সাকসেসফুল ইনকাম সোর্স হচ্ছে কোর্স বিক্রি করা। ওনার হাউ টু ব্লগের (How to Blog) উপরে তার কতগুলো কোর্স আছে সেই কোর্স বিক্রি করেও কিন্তু তিনি বছরে প্রায় কয়েক লাখ টাকার উপরে ইনকাম করেন। অথবা আজকালকার দিনে কোর্স বানিয়ে লোকেরা youtube এ এডভারটাইজমেন্টের মাধ্যমে এবং google এডভারটাইজমেন্ট এর মাধ্যমেও কিন্তু কোর্স বিক্রি করছে সেটাও কিন্তু একটা ভালো রাস্তা কোর্স বানিয়ে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য।

অন্যের জন্যে ওয়েবসাইট বানিয়ে অনলাইন ইনকাম করার উপায়

অন্যের জন্যে Graphics Design করে টাকা রোজগার করার উপায়

অনলাইন ওয়েবিনার করে টাকা রোজগার করার উপায়

অন্যের জন্যে আর্টিকেল লিখে অনলাইন এ টাকা ইনকাম করার উপায়

টাকা ইনকাম করার অ্যাপস

বেশি টাকা কোন গেম খেলে ইনকাম করা যায়

ঘরে বসে প্যাসিভ ইনকাম

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ

গেম খেলে টাকা ইনকাম করার অ্যাপস

Facebook থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়

অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *