কোটিপতি হওয়ার জন্য সেরা টাকা রোজগারের সহজ উপায়

passive income bangla
Spread the love

বন্ধুরা আপনারা হয়তো শ্রী ওয়ারেন বাফেটের সেই ফেমাস উক্তিটি হয়তো জানেন “যে তোমরা যদি এরকম কোন রাস্তা খুঁজে বার করতে না পারো, যেটা তুমি যখন ঘুমিয়ে থাকবে তখন তোমার জন্য টাকা ইনকাম করে দেবে, তাহলে কিন্তু সারা জীবন মরণ পর্যন্ত তোমায় কিন্তু কাজ করে যেতে হবে”

এবং হ্যাঁ আমি এই কথাটাকে বিশ্বাস করি। এজন্য আজকে আমি তোমাদের সঙ্গে কথা বলব যে ঘরে বসে এরকম কি কি সহজ উপায় আছে, যার মাধ্যমে তোমরা টাকা ইনকাম করতে পারবে। এরকম একটা প্লাটফর্ম বানাতে পারবে যার মাধ্যমে তোমরা যখন ঘুমাবে, তখন ওই প্লাটফর্ম তোমার জন্য কাজ করবে এবং তোমাকে টাকা ইনকাম করে দেবে। 

সবার আগে আমাদেরকে বুঝতে হবে যে অ্যাক্টিভ ইনকাম আর প্যাসিভ ইনকাম এর মধ্যে কি ফারাক আছে?

অ্যাক্টিভ ইনকাম

বন্ধুরা অ্যাক্টিভ ইনকাম হলো এরকম টাইপের টাকা ইনকামের রাস্তা, যার মাধ্যমে আপনি টাকা অনেক বেশি চাইলে ইনকাম করতে পারেন কিন্তু একমাত্র অসুবিধা হচ্ছে, অ্যাক্টিভ ইনকাম এর মাধ্যমে যদি আপনি টাকা রোজগার করতে চান, তাহলে আপনি যতক্ষণ কাজ করবেন, যতদিন কাজ করবেন শুধুমাত্র ততদিনের টাকা পাবেন। আপনি যদি কোন কারণে আপনার কাজ করা বন্ধ করে দেন, তাহলে কিন্তু আপনার টাকা রোজগারের রাস্তাটা বন্ধ হয়ে যাবে। অ্যাক্টিভ ইনকাম এর মাধ্যমে যে রকম টাকা রোজগার করি সেরকম টাকা আমাদের জীবনকে অতিবাহিত করার জন্য ভালো একটা পদ্ধতি কিন্তু ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডম পাবার জন্যে কিন্তু ভালো উপায় না। কারণ আমরা যখনই সকাল থেকে বিকেলের যে চাকরিটা আমরা করি, সেটা বন্ধ করে দেবো বা আমরা যদি কোন একটা বিজনেস করে থাকি, সেই বিজনেস যদি আমরা কোন কারণে ছেড়ে দিই তাহলে কিন্তু আমাদের রোজকার রাস্তাটাও বন্ধ হয়ে যাবে। 

প্যাসিভ ইনকাম

আর বন্ধুরা আমরা যদি প্যাসিভ ইনকাম এর কথা বলে থাকি, তাহলে প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এরকম একটা টাকা রোজগারের উপায় যার মাধ্যমে আপনাকে কিন্তু 24 ঘন্টা কাজ করতে হবে না। বা এরকম কোন সময় বাধা নেই, যতক্ষণ এর জন্য আপনি কাজ করবেন ততক্ষণ টাকা ইনকাম করতে পাবেন। 

ধরুন আপনি যদি সপ্তাহের সাত দিন কাজ করেন তাহলে সাত দিনের টাকা পাবেন, এরকম কিন্তু কিছু না। আপনাকে কিন্তু প্রথমে এরকম একটা প্লাটফর্ম বানিয়ে ফেলতে হবে যার মাধ্যমে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং কিছুদিন পরে যখন আপনার ওই প্লাটফর্ম টা দাঁড়িয়ে যাবে, তারপরে কিন্তু চাইলে আপনি ওটা তে যদি কাজ না করেন, তাহলে কিন্তু ওই প্লাটফর্ম টা আপনার জন্য টাকা ইনকাম করে দিতে থাকবে।

প্যাসিভ ইনকাম এর মাধ্যমে আমরা যেমন নিজের সম্পত্তি, নিজের জীবন অতিবাহিত করতে পারি তেমনি প্যাসিভ ইনকাম কিন্তু একটা খুব ভালো উপায় নিজের financial freedom  achieve করার জন্য। শুধুমাত্র ফাইনান্সিয়াল ফ্রিডম কে হাসিল করার জন্য প্যাসিভ ইনকাম ভালো, এরকম আমি  বলছি না। আপনি যদি নিজের একটা কিছু বানাতে পারেন, যেটা আপনি যখন ঘুমিয়ে থাকবেন তখন ও আপনার জন্য টাকা ইনকাম করে দেবে,তাহলে কিন্তু এই টাকা রোজগার এর মাধ্যমে আপনি আপনার জীবন খুব সুন্দর ভাবে অতিবাহিত করতে পারবেন। কিন্তু ঘরে বসে টাকা ইনকাম বা প্যাসিভ ইনকামের রাস্তা তৈরি করার জন্য আপনার মধ্যে কিছু রকমের স্কিলস লাগবে।

আমি যেমন আমার সব আর্টিকেলে বলি, যে আপনার মধ্যে যদি কোন রকমের স্কিলস থাকে যেটা দিয়ে আপনি কোন ধরনের ইউনিক কাজ করতে পারেন। যেটা সাধারণ মানুষেরা হয়তো করতে পারে না তাহলে আপনি খুব সহজেই এরকম একটা প্লাটফর্ম বানিয়ে ফেলতে পারবেন, যেটা আপনার জন্য টাকা রোজগার করে দেবে এবং সেই স্কিলস আপনি কি করে নিজের ভেতরে আনবেন সেই ব্যাপারে আমি অন্যান্য অনেক আর্টিকেল এই ব্লগে লিখে রেখেছি। আপনি দয়া করে সেই আর্টিকেলগুলো একবার দেখে নেবেন। আপনি যদি আপনার মধ্যে যেই ইউনিক স্কিলস টা আছে সেটা উপভোগ করে এরকম একটা কিছু বানাতে পারেন এবং যদি আপনি অনবরত অনেকদিন ধরে যদি ওই জিনিসটার ওপর কাজ করে যান তাহলে আপনাকে সফলতা প্রাপ্ত করা থেকে কিন্তু আটকাতে পারবেনা।

Dropshipping এর বিসনেস:

বন্ধুরা আমরা এখন যে বিসনেস এর সম্বন্ধে কথা বলবো সেটা সম্বন্ধে হয়তো তোমরা জানতেও পারো বা নাও জানতে পারো। আমার মতে অধিকাংশ মানুষ এই জিনিসটা সম্বন্ধে এখনো পর্যন্ত জানে না কারণ এই বিজনেসটা এখন নতুন আমাদের বাজারে আসছে এবং অনেকগুলো ভালো বিজনেস এর মধ্যে এই বিজনেসটা হচ্ছে ঘরে বসে টাকা ইনকাম করার একটা খুব ভালো রাস্তা। এই বিসনেস টাকে  আমরা যদি নরমাল ভাষায় বলতে যাই, তাহলে কিন্তু ট্রেডিং বিজনেস বলা যেতে পারে। 

না না আমি সেই শেয়ার মার্কেট ট্রেডিং করার কথা বলছি না। ট্রেডিং করার মানে হচ্ছে, আমরা কারো থেকে কম পয়সায় একটা মাল কিনবো এবং সেই মালটাকে বেশি দামে আমি আমার কাস্টমারের কাছে বিক্রি করে দেব। এবং  যা ফায়দা হবে সেটা আমার ইনকাম হবে। 

তো বন্ধুরা এখন আমাদের এই ডিজিটাল যুগে এই যে এই ট্রেডিংয়ের বিজনেসটা পুরো অনলাইনে হচ্ছে। এরকম অনেক ড্রপ শিপিং কম্পানি আছে যাদের মাধ্যমে তুমি ঘরে বসে এই কাজটা করতে পারো। উদাহরণস্বরূপ বলতে চাই ভারতে মিশো হলো এরকম একটা কোম্পানি যে আজকের দিনে খুব ভালো রকম ভাবে ড্রপ শিপিং ব্যবসা করছে। 

ব্লোগ্গিং বিসনেস

এবার বন্ধুরা আমরা যেই বিজনেস এর সম্বন্ধে কথা বলব সেটা আজকালকার দিনে খুব একটা পপুলার বিজনেস বলতে পারো। সেটা হচ্ছে ব্লগিং এর বিজনেস। বন্ধুরা তোমরা যদি অনলাইনে নিজের একটা জায়গা তৈরি করতে চাও, তোমরা চাও যে তুমি তোমার যে ভাবনা, তোমার চিন্তাধারা সেটা তুমি যদি পুরো পৃথিবীর সঙ্গে শেয়ার করতে চাও, তাহলে কিন্তু তোমার জন্য একটা পারফেক্ট উপায় অনলাইন থেকে ঘরে বসে টাকা রোজগার করার জন্য। কারণ বন্ধুরা ব্লগিং করে আজকালকার দিনে কিন্তু আপনি চাইলে লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘরে বসে রোজগার করতে পারবেন এবং তাতে কিন্তু আপনি যদি ভালো করে কাজ করতে পারেন এবং ব্লগিং করার জন্য করার জন্য যে যে স্কিলস এর দরকার হয় সেটা যদি আপনি আয়ত্ত করতে পারেন। তার ওপর যদি কাজ করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনাকে ব্লগিং এ সাকসেসফুল হওয়ার থেকে কেউ আটকাতে পারবেনা।

ব্লগিং বিজনেস শুরু করার জন্য আপনার কি কি স্কিলস লাগবে

বন্ধুরা আমার মনে হয় ব্লগিং বিজনেস শুরু করার জন্য সবথেকে বেশি যেটা দরকার সেটা হচ্ছে আপনার স্কিলসেট এবং আপনার কাজ করার ইচ্ছে। বন্ধুরা যদি আপনার মধ্যে কাজ করার ইচ্ছে না থাকে এবং শুধুমাত্র আপনি যদি টাকা ইনকাম করব বলে যদি অনলাইনে ব্লগিং এর বিজনেস করার জন্য এসে থাকেন এবং আপনার মধ্যে যদি ব্লগিং বিজনেস করার জন্য যতটা স্কিলস থাকার দরকার সেই স্কিলস যদি না থাকে তাহলে কিন্তু ব্লগে আপনার জন্য পুরোটাই একটা সময় বরবাদ করার রাস্তা হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

কারণ বন্ধুরা ব্লগিংয়ে সাকসেসফুল হওয়ার জন্য রাইটিং স্কিল সেট এবং আপনার ব্লগিং করার ইচ্ছেটা খুব বেশি দরকার। কারণ ব্লগে কিন্তু আপনি চাইলে 1 দিন বা এক মাসের মধ্যে সাকসেসফুল হতে পারবেন না।  আপনাকে কিন্তু মাসের পর মাস লেগে থাকতে হবে তারপরে হয়তো এক বছর বা দেড় বছর পরে গিয়ে আপনার হয়তো একটু ইনকাম শুরু হতে পারে। তাই আপনি যদি ভেবে থাকেন যে আপনি অনলাইনে জাস্ট কয়েকটা পোষ্ট লিখে, আর্টিকেল লিখে, আপনি ব্লগিং এ সাকসেসফুল হয়ে যাবেন তাহলে কিন্তু ব্লগিং আপনার জন্য না।

  1. তো বন্ধুরা ব্লগিংয়ের সাকসেসফুল হওয়ার জন্য তোমরা যে জিনিসটার ওপর ব্লগিং শুরু করতে চাইছো, সেই জিনিসটার ওপর কিন্তু তোমাদের অনেক বেশি দক্ষতা দরকার হবে এবং তোমরা সেই জিনিসটার প্রতি SEO  অপটিমাইজ আর্টিকেল কি করে লিখতে পারবে এবং যাতে সেই আর্টিকেলটা যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে রেংক করতে পারে, সেই জিনিসটা কিন্তু তোমাদের শিখতে হবে। 
  2. তোমাদের যদি ব্লগিং বিজনেস আসতে হয় তাহলে কিন্তু তোমাদেরকে সব সময় মোটিভেটেড থাকতে হবে এবং ডিসিপ্লিন্ড ওয়ে তে কাজ করতে হবে। তোমরা যদি তোমাদের ব্লগ কে অবহেলা করো, তাহলে কিন্তু তোমরা ব্লগিংয়ের কোনদিন সাকসেসফুল হতে পারবে না। 
  3. আর আরেকটা খুব মহত্ত্ব পূর্ণ পদ্ধতি ব্লগিং এ সাকসেসফুল হওয়ার জন্য যে তোমাকে কিন্তু নিজের একটা ব্লগিং-এর কমিউনিটি বানাতে হবে যেখানে সবাই তোমার সঙ্গে কথা বলতে পারবে এবং কিছু জিজ্ঞেস করলে তোমাকে তাদের কিন্তু হেল্প করতে হবে। তাহলে কিন্তু তোমার মার্কেটে একটা নাম তৈরি হবে ভাল ব্লগার হিসেবে। 
  4. আর সব থেকে যেটা ইম্পর্টেন্ট জিনিস হচ্ছে, তোমাকে কিন্তু নিজের ব্লগিং বিজনেস শুরু করার জন্য সব সময় কিছু না কিছু ইনভেস্ট করার জন্য কিন্তু রেডি থাকতে হবে.

ব্লগিং থেকে টাকা ইনকাম করার বিভিন্ন পদ্ধতি

ব্লগিং থেকে টাকা ইনকাম করার বিভিন্ন পদ্ধতি বন্ধুরা আমরা যখন ব্লগিং এর বিজনেস সম্বন্ধে কথা বলছি তখন যদি ব্লগিং থেকে কোন কোন উপায়ে তোমরা টাকা ইনকাম করতে পারবে সেই বিষয়ে যদি আমরা কথা না বলি তাহলে কিন্তু বন্ধুরা এটা খুব একটা ভালো জিনিস হবে না। তো সেজন্য আমি তোমাদের সঙ্গে নিচে শেয়ার করছি তোমরা ব্লগিং করে কেমন কেমন ভাবে টাকা ইনকাম করতে পারো।

  1. বন্ধুরা তোমরা নিজের ব্লগে যে কোন এড নেটওয়ার্ক এর এড দেখে টাকা ইনকাম করতে পারো। এখন পুরো পৃথিবীতে গুগলের এডসেন্স হচ্ছে সবথেকে ভালো অ্যাড নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে অ্যাড দেখিয়ে এডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করতে পারো। 
  2. এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে বন্ধুরা ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করার আরেকটা খুব ভাল পদ্ধতি। যারা বড় বড় ব্লগাররা আছে পুরো পৃথিবীতে, তারা বলে যে নিজের ব্লগে এড দেখিয়ে যে টাকা ইনকাম করা যায়, তার থেকে অনেক বেশি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিন্তু টাকা ইনকাম করা যায়। 
  3. বন্ধুরা তোমাদের ব্লগে যখন অনেক বেশি ট্রাফিক আসতে শুরু করবে এবং তোমার ওয়েবসাইট কে  যখন সবাই ভরসা করতে শুরু করবে, তখন কিন্তু চাইলে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে যেকোনো ধরনের প্রোডাক্ট, যেকোনো ধরনের ই-বুক, মার্চেন্ডাইজ কিন্তু তোমরা নিজের ব্লগের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারো।
  4. তোমরা বন্ধুরা তোমরা নিজের ব্লগে স্পন্সর পোস্ট করেও কিন্তু টাকা ইনকাম করতে পারো। স্পন্সর পোস্ট মানে তোমাদের ওয়েবসাইটে যখন অনেক বেশি ভিজিটর থাকবে তখন তোমার কাছে অনেক কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট সম্বন্ধে একটা আর্টিকেল লেখার জন্য বলবে এবং সে আর্টিকেলটা লেখার জন্য তোমাকে কিন্তু ওরা ভালো রকম টাকা অফার করতে পারে। তো এটাও একটা খুব ভালো উপায় ব্লগ্গিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার।

স্টক মার্কেট এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম

বন্ধুরা এবার আমরা যে জিনিসটা নিয়ে কথা বলব সেটা হচ্ছে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এই পদ্ধতিতে টাকা ইনকাম করে থাকে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে টাকা ইনকাম করতে গেলে আপনার ফাইন্যান্সের কিন্তু খুব ভালো নলেজ থাকা দরকার। যদি আপনার ফাইন্যান্সের নলেজ না থাকে এবং শুরু করার জন্য যদি কোনরকম ভালো টাকা যদি টাকা না থাকে, তাহলে হয়তো এটা আপনার জন্য একটু মুস্কিল পদক্ষেপ হতে পারে অনলাইন এ ঘরে বসে টাকা রোজগার করার জন্যে। 

হ্যাঁ আপনি ঠিকই ধরেছেন আমি স্টক মার্কেটের কথা বলছি। বন্ধুরা স্টক মার্কেটে নিবেশ করে কিন্তু লোকেরা লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি টাকা পর্যন্ত ইনকাম করেছে। কিন্তু তার জন্য মার্কেটের নলেজ, ফাইন্যান্সের নলেজ, কোম্পানির ব্যালেন্স শীট পড়ার মত কিছু স্কিলস যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে কিন্তু আপনি স্টক মার্কেটে ইনভেস্ট করে ভালো রকম টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

শুধুমাত্র কম দামে শেয়ার কিনে বেশি দামে বিক্রি করাতে (স্টক মার্কেটে ট্রেডিং) এ মাধ্যমে কিন্তু খালি ইনকাম হয় না। আরো বিভিন্ন ধরনের ইনকাম পদ্ধতি আছে যার মাধ্যমে স্টক মার্কেট ইনকাম করা যায়। আপনি যদি স্টক মার্কেটের ইনকাম পদ্ধতি সমন্ধে জানতে চান তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকুন। আমরা আস্তে আস্তে স্টকমার্কেট এ কীকরে ইনকাম করতে পারবেন সেই বিষয়ে আপনাদের কাছে আর্টিকেল নিয়ে আসব। 

ডিভিডেন্ড এর মাধ্যমে টাকা আয়

ডিভিডেন্ড হচ্ছে যখন কোন পাবলিক লিস্টেড কোম্পানি যখন কোন তাদের কোনো প্রফিট এর কিছু অংশ তাদের শেয়ারহোল্ডারদের সাথে শেয়ার করে নেয়, সেটাকে বলা হয় ডিভিডেন্ট। 

কম দামে শেয়ার কিনে টাকা আয়

স্টক মার্কেট এ কামিয়াব হবার জন্যে আপনাকে দেখতে হবে কোন স্টক কখন কিনতে হবে। আমরা সব সময় কম দামে স্টক কেনা চেষ্টা করি এবং যখন তার দাম বেড়ে যায় তখন আমরা সেটাকে বিক্রি করার চেষ্টা করি। তাহলে আমাদের ভালো লাভ হয় স্টক মার্কেট থেকে। 

IPO তে ইনভেস্ট করে টাকা আয়

আরেক রকম ভালো ইনকাম করার পদ্ধতি হচ্ছে আইপিওতে (IPO) ইনভেসমেন্ট করা। বন্ধুরা যেসব মার্কেটে ঢোকার জন্য আসছে, তারা তাদের কিছু শেয়ার পাবলিকদের জন্য ছেড়ে দেয় এবং সেই প্রত্যেকটা শেয়ারের কিছু দাম রাখে। এবার এটা আমাদের কাজ যে আমরা কোম্পানি ভ্যালুয়েশন চেক করে, তাদের ফাইনান্সিয়াল ডকুমেন্টস গুলো কে পড়ে, আমাদেরকে বুঝতে হবে যে তার শেয়ারের দাম কত হওয়া উচিত আর  ওরা যেটা নির্ধারিত করেছে সেটা ঠিক না ভুল?

যদি আমাদের মনে হয় যে প্রাইস যেটা ঠিক করা হয়েছে সেটা ঠিক তাহলে আমরা আইপিওতে ইনভেস্ট করে কিন্তু ভালো রকম টাকা ইনকাম করতে পারি। 

শেষ কথা টাকা রোজগারের সহজ উপায়

বন্ধুরা তোমরাই ওপরে যতগুলো জিনিস আমি শেয়ার করেছি ঘরে বসে টাকা ইনকাম করার সেখান থেকে তোমরা যে কোন একটা পছন্দ করে কিন্তু নিজের মতো করে টাকা ইনকাম শুরু করতে পারো। কিন্তু বন্ধুরা এটা তোমাদের মাথায় রাখতে হবে যে ঘরে বসে প্যাসিভ ইনকাম আয় করার জন্য কিন্তু তোমাদের ইচ্ছে শক্তি থাকা খুব দরকার এবং অনবরত ওইটার উপর কাজ করে যেতে হবে। 

তোমরা এটা কোনদিনই ভেবোনা যে কোন জিনিসে তোমরা দুদিন কাজ করে সাকসেসফুল হতে পারবে। যে কোন বিষয়টিতে যদি তোমাদেরকে সাকসেসফুল হতে হয়, তাহলে ডেডিকেশন এর সাথে কিন্তু কাজ করে যেতে হবে। আর তোমরা তোমাদের অনলাইনে ইনকাম টা ঘরে বসে আরও বাড়াতে পারবে যদি তোমরা নিজের স্কিলসেট এর উপর কাজ করো। তোমরা সবসময় নিজেদের স্কিল ডেভেলপ করার চেষ্টা করো। তোমাদের স্কিলস যত বেশি ডেভেলপ হবে, ততো বেশী তোমরা ভালো কাজ করতে পারবে এবং ততবেশি বন্ধুরা অনলাইনে ইনকাম করতে পারবে। 

বন্ধুরা তোমরা হয়তো ভাবতে পারছনা অনলাইনে কত টাকা ইনকাম করা যেতে পারে? আমি যদি একটা কথা বলি যদি আপনি ভালোমতো কাজ করতে পারেন তাহলে মাসে 10 লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা ও কিন্তু অনলাইনে এমন কিছু কঠিন ব্যাপার না। আমাদের ভারতবর্ষে এবং বাংলাদেশে এরকম অনেক ছেলে মেয়েরা আছে যারা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা শুধুমাত্র অনলাইনে কাজ করে ইনকাম করছে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *